Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 15, 2008

রোযাদারকে ইফতার করালে রোযার সমান সওয়াব

عن زَيدِ بنِ خالدٍ الجُهَنيِّ قَالَ:

 - قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: “مَنْ فَطَّرَ صَائِماً كَانَ لَهُ مِثلَ أَجرِهِ غَيرَ أَنَّهُ لا يَنقُصُ من أَجرِ الصَّائِمِ شيئاً”.

رواه الترمذي: 3/171 رقم: 807، قَالَ أَبُو عِيسَى: هَذَا حديثٌ حسنٌ صحيحٌ.

 

যায়েদ ইবনে খালেদ আলজুহানী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“যে ব্যক্তি রোযাদারকে ইফতার করাবে সে রোযাদারের সমান সওয়াব পাবে এবং রোযাদারের সওয়াবও কোন ক্ষেত্রে কম হবে না।”

[তিরমিযী: ৩/১৭১, নং- ৮০৭, আবূ ঈসা বলেন হাদীসটি হাসান সহীহ্।]

عن حذيفة رضي الله عنه  قال: أنا سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: فتنة الرجل في أهله وماله وجاره، تكفرها الصلاة والصيام والصدقة  .[رواه البخاري: 1895 ومسلم: 144]

 

হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “মানুষের পরিবার, ধন-সম্পদ ও প্রতিবেশীর ব্যাপারে ঘটিত বিভিন্ন ফিৎনা ও গোনাহের কাফ্ফারা হলো নামায, রোযা ও সদকাহ্।”

 

[বুখারী: ১৮৯৫, মুসলিম: ১৪৪]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 7, 2008

রাইয়্যান হতে আহ্বান: কোথায় রোযাদারগণ?

عن سهل ابن سعد رضي الله عنه. قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

 “إن في الجنة بابا يقال له الريان. يدخل منه الصائمون يوم القيامة. لا يدخل معهم أحد غيرهم. يقال: أين الصائمون ؟ فيدخلون منه. فإذا دخل آخرهم. أغلق فلم يدخل منه أحد”.

[رواه البخاري: 1797 ومسلم: 1152 والنسائي والترمذي]

 

সাহল বিন সা’দ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “জান্নাতের এক প্রবেশদ্বার রয়েছে যার নাম ‘রাইয়্যান’। কেয়ামতের দিন ঐ দ্বার দিয়ে রোযাদারগণ প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া তাদের সাথে আর কেউই ঐ দ্বার দিয়ে প্রবেশ করবে না। বলা হবে: ‘কোথায় রোযাদারগণ?’ সুতরাং তারা ঐ দরজা দিয়ে (জান্নাতে) প্রবেশ করবে। অতঃপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন সে দ্বার রুদ্ধ করা হবে। ফলে সে দ্বার দিয়ে আর কেউই প্রবেশ করতে পারবে না।”

[বুখারী: ১৮৯৬, মুসলিম: ১১৫২, নাসাঈ, তিরমিযী]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 6, 2008

আল্লাহর পথে ১ দিনের রোযার প্রতিদান

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ

سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ بَعَّدَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنْ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا . [رواه البخاري: 2840، ومسلم: 1153، والترمذي والنسائي]

 

আবূ সাঈদ আলখুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাআহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন:

 

“যে বান্দা আল্লাহর রাস্তায় একদিন মাত্র রোযা রাখবে সেই বান্দার চেহারাকে আল্লাহ্ (ঐ রোযার বিনিময়ে) জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের পথ পরিমাণ দূরত্বে রাখবেন।”

 

[বুখারী: ২৮৪০, মুসলিম: ১১৫৩, তিরমিযী, নাসাঈ]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 6, 2008

আল্লাহর পথে রোযার প্রতিদান

عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ

عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ جَعَلَ اللَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّارِ خَنْدَقًا كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ . [رواه الترمذي: 6/167]

আবূ উমামাহ্ আলবাহেলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

 

“যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি রোযা রাখবে, আল্লাহ্ সেই ব্যক্তি ও জাহান্নামের মাঝে একটি এমন প্রতিরক্ষার খাদ তৈরী করে দেবেন; যা আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী জায়গা সমপরিমাণ চওড়া।”

 

[তিরমিযী: ৬/১৬৭, সহীহুল জামেঈস সগীর-আলবানী: ৬৩৩৩]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 5, 2008

রোযা জাহান্নাম থেকে রক্ষার ঢাল ও দুর্গ স্বরূপ

قَالَ عُثْمَانُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الصِّيَامُ جُنَّةٌ مِنْ النَّارِ كَجُنَّةِ أَحَدِكُمْ مِنْ الْقِتَال.

 

উসমান বিন আবূল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “রোযা হলো জাহান্নাম থেকে রক্ষার জন্য ঢাল স্বরূপ; যেমন যুদ্ধের সময় নিজেকে রক্ষা করার জন্য তোমাদের ঢাল হয়ে থাকে।”

 

[মুসনাদে আহমাদ: ৩৩/১২, ৩৬/৩২৭, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ্: ৫/১৩৪, সহীহুল জামেঈস্ সগীর-আলবানী: ৩৮৭৯]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الصِّيَامُ جُنَّةٌ وَحِصْنٌ حَصِينٌ مِنْ النَّار .

 

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “রোযা হলো জাহান্নাম থেকে রক্ষার জন্য ঢাল ও দুর্ভেদ্য দুর্গস্বরূপ।”

 

[মুসনাদে আহমাদ, বায়হাকী শু'আবুল ঈমান, সহীহুল জামেঈস্ সগীর-আলবানী: ৩৮৮০]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 4, 2008

রোযা ও কুরআন কেয়ামতে সুপারিশ করবে

وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال

الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة يقول الصيام أي رب منعته الطعام والشهوة فشفعني فيه

ويقول القرآن منعته النوم بالليل فشفعني فيه قال فيشفعان.

رواه أحمد والطبراني في الكبير ورجاله محتج بهم في الصحيح

ورواه ابن أبي الدنيا في كتاب الجوع وغيره بإسناد حسن والحاكم

وقال صحيح على شرط مسلم

 

আব্দুল্লাহ্ বিন আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

 

“কেয়ামতের দিন রোযা ও কুরআন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তাকে পানাহার ও যৌনকর্ম থেকে বিরত রেখেছিলাম। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন।’ আর কুরআন বলবে, ‘আমি তাকে রাতের নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছিলাম। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন।’ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘অতএব ওদের উভয়ের সুপারিশ গৃহীত হবে’।”

 

[মুসনাদে আহমাদ, ত্বাবারানী কাবীর, হাকেম, ইবনে আবিদ্দুনয়্যার কিতাবুল জূ', সহীহ্ তারগীব-আলবানী: ৯৬৯]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 4, 2008

রোযা রাখ, কারণ এর সমতুল্য কিছু নেই

عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ قُلْتُ

يَا رَسُولَ اللَّهِ مُرْنِي بِعَمَلٍ قَالَ عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَا عَدْلَ لَهُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مُرْنِي بِعَمَلٍ قَالَ عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَا عِدْلَ لَه . [رواه النسائي: 7/408 الشاملة: 2193]

 

আবূ উমামাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম: ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কোন আমলের আজ্ঞা করুন; (‘যদ্দ্বারা আল্লাহ্ আমাকে লাভবান করবেন’। অথবা অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘যার মাধ্যমে আমি জান্নাতে যেতে পারব’।) তিনি বললেন: “তুমি রোযা রাখ, কারন এর সমতুল্য কিছু নেই।’ পুনরায় আমি বললাম: ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কোন আমলের আদেশ করুন।’ তিনিও পুনরায় ঐ কথাই বললেন: “তুমি রোযা রাখ, কারন এর সমতুল্য কিছু নেই’।”

[নাসাঈ: ৭/৪০৮, সহীহ্ ইবনে খুযাইমা, হাকেম, সহীহ্ তারগীব-আলবানী: ৯৭৩]

Posted by: ফজলে এলাহি মুজাহিদ | সেপ্টেম্বর 4, 2008

মুসলমান ও আহলে কিতাবের রোযার মধ্যে পার্থক্য

عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَر .

 

আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আমাদের (মুসলমানদের) রোযা ও আহলে কিতাবদের রোযার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সেহরী খাওয়া।” (অর্থাৎ, আহলে কিতাবরা সেহরী খায় না; কিন্তু মুসলমানরা খায়।) [মুসলিম: ১০৯৬]

 

অন্য এক হাদীসে এসেছে-

আহলে কিতাবরা ইফতার করে দেরী করে, পক্ষান্তরে মুসলমানগণ সূর্য ডোবামাত্র তড়িঘড়ি ইফতার করে থাকে। [আবু দাউদ, হাকেম, ইবনে হিব্বান, সহীহুল জামেঈস্ সগীর-আলবানী: ৭৬৮৯]

عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ:

أَشْرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى أُطُمٍ مِنْ آطَامِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ هَلْ تَرَوْنَ مَا أَرَى قَالُوا لَا قَالَ فَإِنِّي لَأَرَى الْفِتَنَ تَقَعُ خِلَالَ بُيُوتِكُمْ كَوَقْعِ الْقَطْرِ . [رواه البخاري: 21/450 كباب الفتن, باب- قول النبي ويل للعرب]

ওসামা বিন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মদীনার টিলাসমূহের মধ্যে কোন একটি টিলার উপর আরোহন করে বললেন: আমি যা দেখছি, তোমরা কি তা দেখছো? (সাহাবাগণ) বললেন: না। তিনি বললেন: আমি তোমাদের ঘরসমূহে ফেৎনা বৃষ্টির ফোঁটার ন্যায় পতিত হতে দেখছি।

[বুখারী: ২১/৪৫০, কিতাবুল ফিতান, বাব- কাওলুন নবী ওয়াইলুন লিল আরব।]

« Newer Posts - Older Posts »

ক্যাটাগরি

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.